RAIL: রেলের বড় সিদ্ধান্ত, ভীড় নিয়ন্ত্রণ করার জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা, কাজ শুরু।

বাঙ্গলার জাগরন সংবাদদাতা

স্টেশনগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে রেলমন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সভাপতিত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত গুলি নেওয়া হয়েছে:


(অ) 60টি স্টেশনে স্থায়ী Waiting Area অর্থাৎ অপেক্ষার জায়গা করা হবে স্টেশনের বাইরে।
2024 সালে উতসবের সময়, স্টেশনগুলির বাইরে প্যাসেঞ্জার অপেক্ষার জায়গা তৈরি করা হয়েছিল, যার ফলে সুরাট, উধনা, পাটনা এবং নতুন দিল্লিতে বিশাল ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছিল। ট্রেনটি যখন প্ল্যাটফর্মে আসে তখনই যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছিল।
প্রয়াগ এলাকার নয়টি স্টেশনে মহাকুম্ভের সময় একই রকম ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
এই অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে, রেল সারা দেশে 60টি স্টেশনের বাইরে স্থায়ী অপেক্ষার জায়গা তৈরি করার সিদ্ধান্ত রেল নিয়েছে এই বৈঠকে, যেখানে সময়ে সময়ে প্রচুর ভিড় হয়। নতুন দিল্লি, আনন্দ বিহার, বারাণসী, অযোধ্যা এবং পাটনা স্টেশনে পাইলট প্রকল্পের হিসেবে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে, অপেক্ষরত এলাকায় হঠাৎ মানুষের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এবং ট্রেন আসার সময়ই যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে, যা স্টেশনের ভীড় সামলানোর যাবে।
এই 60টি স্টেশনে সম্পূর্ণ রূপে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ কার্যকর করা হবে। শুধুমাত্র নিশ্চিত রিজার্ভেশন টিকিট সহ যাত্রীদের সরাসরি প্ল্যাটফর্মে যেতে দেওয়া হবে। টিকিটবিহীন যাত্রী বা ওয়েটিং লিস্টে থাকা টিকিট আছে এমন যাত্রীদের বাইরের ওয়েটিং এরিয়ায় অপেক্ষা করতে হবে। সমস্ত বিনা টিকিটের যাত্রীদের প্রবেশ পয়েন্ট সিল করা হবে।।
প্রশস্ত ফুট-ওভার ব্রিজ (FOB): 12 মিটার (40 ফুট) এবং 6 মিটার (20 ফুট) প্রস্থের দুটি নতুন স্ট্যান্ডার্ড ফুট-ওভার ব্রিজ ডিজাইন করা হয়েছে।
এই প্রশস্ত FOB এবং র‌্যাম্পগুলি মহাকুম্ভের সময় ভিড় ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল।
এই নতুন প্রশস্ত FOBগুলি সমস্ত স্টেশনে তৈরি করা হবে৷
ক্যামেরা:
মহাকুম্ভের সময় ভিড় নিয়ন্ত্রণে ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
সমস্ত স্টেশন এবং আশেপাশের এলাকায় নজরদারির জন্য প্রচুর সংখ্যক ক্যামেরা বসানো হবে।
যুদ্ধ কক্ষ:
বড় বড় স্টেশনে ওয়ার রুম তৈরি করা হবে।
ভিড় বেশি হলে সব বিভাগের আধিকারিকরা এই ওয়ার রুমে কাজ করবেন।
নতুন ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা: অত্যাধুনিক ডিজাইন করা ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেমন ওয়াকি-টকি, ঘোষণা সিস্টেম এবং কলিং সিস্টেম ভীড় ভাড় হয় এই রকম সমস্ত স্টেশনে ইনস্টল করা হবে।
নতুন ডিজাইনের আইডি কার্ড:
সমস্ত কর্মীদের নতুন ডিজাইনের আইডি কার্ড দেওয়া হবে, শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিদের স্টেশনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
কর্মীদের জন্য নতুন ডিজাইন ইউনিফর্ম:
সমস্ত কর্মীদের নতুন ডিজাইন করা ইউনিফর্ম দেওয়া হবে যাতে যেকোন জরুরী পরিস্থিতিতে তাদের সহজেই সনাক্ত করা যায়।
স্টেশন ডিরেক্টর পদের উন্নীতকরণ:
সব বড় স্টেশনে একজন সিনিয়র অফিসারকে স্টেশন ডিরেক্টর করা হবে। অন্য সব বিভাগের আধিকারিকরা স্টেশন ডিরেক্টরকে রিপোর্ট করবে।
স্টেশন ডিরেক্টরকে আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হবে যাতে তিনি স্টেশনের উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত রকম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
টিকিট বিক্রয় হবে প্লাটফর্ম বা ট্রেনের ক্ষমতা অনুযায়ী:
স্টেশন ডিরেক্টরকে স্টেশনের ক্ষমতা এবং উপলব্ধ ট্রেনের ক্ষমতা অনুযায়ী টিকিট বিক্রি নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাও দেওয়া হবে।।

Related Posts

পশ্চিমবঙ্গে নতুন রেললাইনের ছাড়পত্র, কিন্তু বঞ্চিতই রইল মুর্শিদাবাদের কান্দি! বিজেপি সাংসদ না থাকাতেই কি উপেক্ষা? পহেলা ফেব্রুয়ারির বাজেটের দিকেই তাকিয়ে জেলা

বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা পশ্চিমবঙ্গে রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে বড়সড় ঘোষণা করল রেল মন্ত্রক। রাজ্যে মোট ১৭৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের তিনটি নতুন রেললাইন প্রকল্পের জন্য চূড়ান্ত লোকেশন সার্ভের অনুমোদন মিলেছে। বীরভূম,…

Read more

পশ্চিম বর্ধমান জেলা দিয়ে বাংলা সফর শুরু বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির

বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন পশ্চিম বর্ধমান জেলা দিয়েই তাঁর বাংলা সফর শুরু করতে চলেছেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৭ জানুয়ারি বিকেল…

Read more

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *