বাঙ্গলার জাগরন ডট কম সংবাদদাতা ১পিস মিষ্টির দাম ১০০০ টাকা। মিষ্টির আকারও পেল্লাই। আর সেই মিষ্টি দেখতে ও কিনতে দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা আসছেন। তবে এই মিষ্টি দেখতে ল্যাংচার মতো হলেও আদতে এটা রসগোল্লা। এটা কোনও গল্পকথা নয়, বাস্তবে এমনটাই দেখা যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার দোগাছিয়ার দোলমেলায়। পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা পিস পর্যন্ত মিষ্টি পাওয়া যায় এই মেলায়।রঙের উৎসব দোলযাত্রা। উৎসব মুখর বাঙালি সারাবছর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন রঙীন এই উৎসবের জন্য। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, দোলপূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ, রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সঙ্গে রং খেলায় মেতেছিলেন। তবে মিষ্টি ছাড়া যেমন বাঙালির উৎসব প্রায় অসম্পূর্ণ, তেমনি দোল যাত্রাও তার ব্যতিক্রম নয়। রং খেলার পাশাপাশি, রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহের সামনে খিচুরি ও রকমারি মিষ্টির ভোগ দেওয়া হয়। এছাড়া ও পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনদের সাথে মিস্টি মুখের রেওয়াজও রয়েছে এই বিশেষ দিনে। তবে একটি মিষ্টির দাম কি এক হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে? শুনতে অবাক লাগলেও, দোগাছিয়ার মদনমোহনের দোল-উৎসবের মেলায়, এই বিশাল সাইজের মিষ্টিই হল মেলার অন্যতম আকর্ষণ। যা মিষ্টির মেলা নামে পরিচিত। একটি ১০০০ টাকার মিষ্টি তৈরি করতে লাগে আড়াই কেজি ছানা প্রায় চার ঘন্টা সময় ধরে মিষ্টি করতে হয় তৈরি। আর এত বড় মিষ্টির লোভেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই মেলায় হাজির হন ক্রেতারা। সাত দিন ধরে চলে এই মেলা।জানা যায়, রায়চৌধুরি পরিবারের এই জনপ্রিয় দোল উৎসব প্রায় ৫০০ বছরের অধিক প্রাচীন। একসময় এটি পারিবারিক উৎসব রূপে পালিত হলেও ধীরে ধীরে এই উৎসব গ্রামের উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর গ্রামের দোলমন্দিরে দোল পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বসে মেলা। এই মেলা ‘মিষ্টির মেলা’ নামেও পরিচিত। রায়চৌধুরি পরিবার সূত্রে জানা যায়, মদনমোহন, গোপীনাথ, রাধাকৃষ্ণ, কেষ্টচন্দ্র ও দশমা নামে পাঁচটি বিগ্রহ তাঁদের পারিবারিক মন্দিরে গৃহদেবতা হিসেবে পূজিত হন। দোলেরদিন থেকে চারদিন চারিদিক থেকে বহু মানুষের সমাগম ঘটে এই মেলায়। Share Post Whatsapp Email Print Messenger Like this:Like Loading... Related Post navigation Jamalpur এ পঞ্চম দোল অনুষ্ঠিত হলো। पूर्व रेलवे के महाप्रबंधक ने बंडल-कटवा-अजीमगंज-नलहटी खंड के स्टेशनों का किया निरीक्षण,अजीमगंज-कटवा पैसेंजर बर्धमान तक करने की अपील।