বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বারতোরিয়া অঞ্চলে আয়োজিত কালীপূজার উদ্বোধন ঘিরে প্রকাশ্যে এল বিজেপির অন্দরের কলহ। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এদিন জেলার তিনটি কালীপূজার উদ্বোধন করেন। কিন্তু বারতোরিয়ার পূজাকে ঘিরে যে ঘটনা ঘটেছে, তা এখন রাজ্য রাজনীতির চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। অভিযোগ, ওই পূজার আমন্ত্রণপত্রে সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির রাজ্য নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের নাম। সহ সভাপতি জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্যের নামও সেখানে রয়েছে। কিন্তু এলাকার বিধায়ক তথা বিজেপির রাজ্য নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালের নাম সেই কার্ডে কোথাও নেই! এমনকি পূজা উদ্বোধনের দিনও তাঁকে মঞ্চে দেখা যায়নি। তার অনুগামীদেরও দেখা যায়নি। যদিও বা অনুগামী তথা বার্ণপুরের বিজেপি নেতাদের বারাবনির নুনি ও পান্ডবেশ্বরে দেখা গেছে?এ নিয়ে দলের অন্দরে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। একাংশের কর্মী-সমর্থক ক্ষোভ প্রকাশ করলেও, কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না। দলে অস্বস্তি যে প্রবল, তা স্পষ্ট। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে এই ধরণের অন্তর্দলীয় বিতর্ক বিজেপি নেতৃত্বের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসও সুযোগ ছাড়ছে না। শাসকদলের স্থানীয় নেতারা ইতিমধ্যেই বিজেপির এই ‘কার্ড-বিতর্ক’ নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন এটা বিজেপির অভ্যন্তরীণ বিষয়, এটা নিয়ে কি আর বলব।তবে এই বিষয়ে যখন অগ্নিমিত্রা পালের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়, তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। তাঁর সংক্ষিপ্ত উত্তর — “আমি কিছু বলতে চাই না।” Share Post Whatsapp Email Print Messenger Like this:Like Loading... Related Post navigation দুর্গাপুর ধর্ষণকাণ্ডে তিনজন আটক, ড্রোনে চলছে তদন্ত “ঐতিহ্যের গর্ব আসানসোল!” — মলয় ঘটকের মুখে প্রশংসা, ৩১ ফুট উচ্চতার মা কালীর প্রতিমা ঘিরে রামসায়ার মাঠে মানুষের ঢল