বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা আসানসোল পৌর নিগমের অন্তর্গত ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের ডামরা এলাকায় সোমবার দেখা গেল এক অন্য রকম দৃশ্য। আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল এলাকায় পৌঁছাতেই স্থানীয় মানুষজন তাকে ঘিরে ধরেন। কেউ মিষ্টি হাতে এগিয়ে আসেন, কেউ আবার প্রশ্নে ভরিয়ে দেন বিধায়ককে।স্থানীয় যুবকদের একাংশ অগ্নিমিত্রাকে মিষ্টি অফার করে বলেন— “দিদি, আগে কখনো আপনাকে দেখিনি, আপনার অফিস কোথায়? ভোটের আগে এসেছেন নাকি?” একের পর এক প্রশ্নে কিছুটা অস্বস্তিতেই পড়েন বিধায়ক। তবে শান্তভাবেই তিনি উত্তর দেন, “আমার পার্টির কার্যকর্তারা সারাক্ষণ এলাকায় থাকেন, আমিও বহুবার এসেছি। আমার অফিস কোথায়, তা সবাই জানে।” এরপর তিনি এলাকাটি ছেড়ে চলে যান। ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, “শুধু অগ্নিমিত্রা পাল নন, কুলটির বিধায়ক অজয় পোদ্দারকেও এলাকার মানুষ খুঁজে পান না। তাই আজ মানুষ মিষ্টি খাইয়ে তাদের মিষ্টি কথা শোনাতে চাইছে।”এর জবাবে অগ্নিমিত্রা পাল তৃণমূলের উদ্দেশ্যে তোপ দেগে বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সবসময়ই আক্রমণ করে — শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার থেকে শুরু করে আমাকেও ছাড়ে না। আমাদের কর্মীদের ওপরেও হামলা চালায়। কিন্তু এসব সত্ত্বেও বিজেপি সাধারণ মানুষের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবে।”ডামরার মিষ্টি-মুহূর্ত তাই এখন রাজনীতির তেতো বিতর্কে রূপ নিয়েছে — একদিকে মানুষের প্রশ্ন, অন্যদিকে রাজনৈতিক পাল্টা-পাল্টি বক্তব্য। Share Post Whatsapp Email Print Messenger Like this:Like Loading... Related Post navigation আসানসোলে গণনাপত্র বিতরণ ও সংগ্রহ পরিদর্শনে জেলা শাসক ও এসডিএম “डामरा में विधायक को देखकर लोगों ने दी मिठाई, फिर सवालों की बरसात — अग्निमित्रा पाल के जवाब पर छिड़ी सियासत”