বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা
শনিবার ভোরে আসানসোলের হীরাপুর থানার অন্তর্গত ৮০ নম্বর ওয়ার্ডের করিম ডাঙাল এলাকায় রাস্তার ওপর এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম মহম্মদ সবরুদ্দিন (৪৭)। তিনি পেশায় লোহা ব্যবসায়ী ছিলেন এবং একই সঙ্গে একটি স্থানীয় মাদ্রাসার ক্যাশিয়ারের দায়িত্বও সামলাতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর নজরে আসে বাড়ির সামনে রাস্তায় পড়ে থাকা রক্তাক্ত দেহটি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় হীরাপুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে পাঠায় ময়না তদন্তের জন্য।
ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি পিস্তল উদ্ধার করেছে, তবে আশপাশে কোনো গুলির খোল পাওয়া যায়নি। রাস্তায় রক্তের দাগ স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। মৃতের মুখ ও নাক দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
স্থানীয়দের একাংশের সন্দেহ, গুলি লেগেই মৃত্যু হয়েছে সবরুদ্দিনের। যদিও অন্য একটি অংশের মতে, তিনি হয়তো হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে গুরুতর আঘাত পান। তবে ঘটনাস্থলে পিস্তল পাওয়ায় খুনের সম্ভাবনাই জোরালো হচ্ছে।
এলাকাবাসীর মধ্যে আরও একটি মত উঠে আসছে—হয়তো কেউ তাঁকে খুন করার উদ্দেশ্যে এসেছিল, কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় আতঙ্কে বন্দুকবাজ পালিয়ে যায় এবং যাওয়ার সময় অস্ত্রটি ফেলে রেখে যায়। কেউ কেউ এটিকে অপেশাদার খুনের চেষ্টা বলেও মনে করছেন।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হীরাপুর থানার পুলিশ। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।





