বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা নতুন সিমেন্টের ঢালাই রাস্তা তৈরির পর থেকেই ধুলোর দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রামবাসীরা। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুরিয়া বিধানসভার অন্তর্গত রতিবাতি পঞ্চায়েতের চাপুই গ্রামে বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ঢালাই রাস্তা তৈরি হলেও সেই রাস্তা থেকে অস্বাভাবিক পরিমাণে ধুলো উড়ছে। এর ফলে এলাকায় বসবাস কার্যত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ—অনেকেই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন বলে দাবি স্থানীয়দের। ধুলোর কারণে বাড়িঘর, খাবার এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ।বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পঞ্চায়েত প্রধান দেবিকা চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্য সদস্যরা। এসময় গ্রামবাসীদের সঙ্গে তাঁদের তীব্র বচসা বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিমচা ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সুলতানা নাসরিন ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেন। তিনি গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্যে জানান, কোনও অভিযোগ থাকলে পঞ্চায়েত বা জেলা পরিষদের কাছে লিখিতভাবে জানাতে হবে, যাতে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। পঞ্চায়েত প্রধান দেবিকা চট্টোপাধ্যায়ও একই আশ্বাস দেন।তবে এই বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক অস্বস্তিও তৈরি হয়েছে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে এই ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসায় চাপে পড়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষোভকারীদের একাংশের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর নেতৃত্বে আন্দোলন করেছেন এবং একসময় বামফ্রন্টকে রাজ্য থেকে সরানোর লড়াইয়েও সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন।তাঁদের অভিযোগ, এতদিন দল করার পরও আজ তাঁদের সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। যদিও পঞ্চায়েত প্রধান এই ঘটনায় বিজেপি বা সিপিএমকে টানতে চাননি, তবুও স্থানীয় স্তরে এই ক্ষোভ শাসকদলের অন্দরেই অস্বস্তি বাড়িয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।গ্রামবাসীদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত ধুলো নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় আন্দোলনে নামবেন তাঁরা।। Share Post Whatsapp Email Print Messenger Like this:Like Loading... Related Post navigation ১৯১তম জন্মতিথিতে ভক্তিসাগরে ভাসল শ্রীরামকৃষ্ণ-এর পূণ্যভূমি কামারপুকুর পানীয় জলের দাবিতে আসানসোলের পরীরা গ্রামে রাস্তা অবরোধে কার্যত আটকে পড়ে বিজেপির রাজ্য নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়।