বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা

নির্বাচনের মরসুমে, যখন রাজ্যে উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah, ঠিক সেই সময়ই পাঞ্জাব মেইল ট্রেনকে ঘিরে বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। অনেকেরই মনে পড়ছে ২০১০ সালের ২৮ মে-র ভয়াবহ Jnaneswari Express derailment, যা পঞ্চায়েত-পরবর্তী রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে ঘটেছিল এবং নাশকতার অভিযোগ সামনে এসেছিল।
এদিন হাওড়া ডিভিশনের চন্দনপুর স্টেশনে পাঞ্জাব মেইল ট্রেনকে ঘিরে ছড়ায় ব্যাপক উত্তেজনা। এক ব্যক্তির অভিযোগ—ট্রেনে থাকতে পারে বোমা!
খবর পেতেই সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে ওঠে রেল কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেনটি থামিয়ে শুরু হয় জোরদার তল্লাশি অভিযান। হুগলি জেলা পুলিশ, জিআরপি, আরপিএফ, ট্রেনের আরপিএফ স্কোয়াড এবং পুলিশের ডগ স্কোয়াড—সব মিলিয়ে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিটি বগি খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হয়।
পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাজি জানিয়েছেন, যিনি এই
অভিযোগ করেছিলেন তাঁর সঙ্গে এখনও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবুও বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়েই তদন্ত চালানো হয়েছে।
দীর্ঘ তল্লাশির পর ট্রেনে কোনও সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি। এরপর রাত ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ চন্দনপুর স্টেশন থেকে পাঞ্জাব মেইল গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এবং রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে বর্ধমান স্টেশনে পৌঁছায়।
ঘটনার জেরে যাত্রী ও স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হলেও, প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *