বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা

বছরের শেষ দিনে উৎসবের আনন্দে মেতে উঠল আসানসোল শিল্পাঞ্চল। নাচে-গানে, হাসি-আনন্দে মুখর হয়ে উঠল ব্রিটিশ আমলের ঐতিহ্যবাহী আসানসোল ক্লাব প্রাঙ্গণ। বিদায়ি বছরের সব ক্লান্তি, আসন্ন ২০২৬-এর ভোটের সমীকরণ, এসআইআর ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন কিংবা লাভ-লোকসানের হিসেব—সবকিছুকে সাময়িকভাবে দূরে সরিয়ে রেখে নতুন বছরকে স্বাগত জানালেন শহরের বিশিষ্ট মানুষজন।


বর্ষশেষের এই রঙিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আসানসোলের প্রথম লেডি সুচিস্মিতা উপাধ্যায়। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আসানসোল ক্লাবের সভাপতি অমরজীত সিং, সম্পাদক শোভন বাসু, সহ-সভাপতি মনীষ বাগারিয়া, কোষাধ্যক্ষ মুরারিলাল আগ্রয়াল সহ ক্লাবের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

রাজনীতির চাপ ভুলে উৎসবের রঙে বর্ষবিদায়, আসানসোল ক্লাব প্রাঙ্গণে প্রাণবন্ত নিউ ইয়ার সেলিব্রেশন

এদিনের অনুষ্ঠানে আসানসোল শিল্পাঞ্চলের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, শিল্পপতি, সমাজকর্মী ও সমাজের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। ক্লাব প্রাঙ্গণে নাচ ও গানের তালে তালে জমে ওঠে আনন্দের আসর। ৮ থেকে ৮০—সব বয়সের মানুষই আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন।


রকমারি খাওয়া-দাওয়া ও বিশেষ স্টার্টার আয়োজন ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ। আলোর ঝলকানির সঙ্গে বাজি ও ফটকার শব্দে বর্ষবিদায়ের মুহূর্ত হয়ে ওঠে আরও রঙিন ও স্মরণীয়। নতুন বছরে পা রাখার পরও দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে গান-বাজনা ও নৃত্যের আসর।


সব মিলিয়ে, বিদায়ী বছরকে হাসিমুখে বিদায় এবং নতুন বছরকে প্রাণভরে স্বাগত জানাতে আসানসোল ক্লাব প্রাঙ্গণ যেন পরিণত হয়েছিল এক আনন্দঘন মিলনমেলায়। উৎসবের এই মুহূর্তে একটাই বার্তা স্পষ্ট—সব টানাপোড়েনের ঊর্ধ্বে উঠে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার আনন্দই ছিল আসানসোলবাসীর প্রধান সঙ্গী।


উল্লেখ্য, আসানসোলের পাশাপাশি দুর্গাপুর ও কলকাতার বিভিন্ন ক্লাব ও হোটেলেও বর্ষবরণ উৎসব ধুমধাম করে পালিত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *