বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা

মন্ত্রী মলয় ঘটকের হাত ধরে প্রত্যাবর্তন প্রাক্তন পুরপ্রতিনিধির
রবিবার কুলটি বিধানসভার নিয়ামতপুরের একটি প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত যোগদান সভায় বিজেপি ও সিপিআই(এম) ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন বহু কর্মী-সমর্থক। রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে নবাগতদের স্বাগত জানান। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়-সহ ব্লক নেতৃত্ব।

নিয়ামতপুরে যোগদানের ঝড়, বিজেপি–সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে শতাধিক কর্মী


এদিন বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস-এ যোগদানকারী প্রাক্তন পুরপ্রতিনিধি দিব্যেন্দু রায় জানান, তিনি ২০০৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে অভিমানবশত তিনি ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগ দিলেও কখনোই মন থেকে সেই দল করতে পারেননি।
তার কথায়, “মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বিজেপি সেই কাজের দল নয়। তাই আবার নিজের ঘর তৃণমূলে ফিরে এলাম। দল আমাকে যে দায়িত্ব দেবে, তা পালন করব এবং তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী করতে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করব।”
তিনি দাবি করেন, তাঁর সঙ্গে প্রায় ৫০ জন কর্মী-সমর্থক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।
অন্যদিকে কুলটি ব্লক-২ তৃণমূল সভাপতি কাঞ্চন রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন দল থেকে কর্মীরা তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, প্রাক্তন পুরপ্রতিনিধিসহ প্রায় ৩৫০ জন কর্মী-সমর্থক এদিন দলে যোগ দিয়েছেন, যাদের অধিকাংশই বিজেপি থেকে এসেছেন। আগামী দিনে আরও যোগদান কর্মসূচি হবে বলেও জানান তিনি।
যদিও এই যোগদান প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। পশ্চিম বর্ধমান জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কেশব পোদ্দার বলেন, কুলটি এলাকায় বহু মানুষ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন এবং মানুষের আবেগ বিজেপির পক্ষেই রয়েছে। তাঁর দাবি, “এক-দু’জনকে দলীয় পতাকা ধরিয়ে যোগদান করিয়ে কোনো লাভ হবে না। মানুষ ১৫ বছর সব দেখেছে, নির্বাচনে তার জবাব দেবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *