বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা
ভারতের নির্বাচন কমিশন এক যুগান্তকারী উদ্যোগে নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘ECINET’ লঞ্চ করতে চলেছে, যা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও ব্যবহারকারী-বান্ধব করবে।
এতদিন নির্বাচন কমিশনের ৪০টিরও বেশি মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হতো। কিন্তু এবার এই সব অ্যাপকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসছে ‘ECINET’, যা ভোটার, নির্বাচনী আধিকারিক, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের জন্য একক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ‘ECINET’ অ্যাপটি প্রায় ১০০ কোটি ভোটার এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সকল অংশীদারদের উপকার করবে। এর মধ্যে রয়েছে ১০.৫ লক্ষ বুথ লেভেল অফিসার (BLO), ১৫ লক্ষ বুথ লেভেল এজেন্ট (BLA), ৪৫ লক্ষ পোলিং অফিসার, ১৫,৫৯৭ জন সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা (AERO), ৪,১২৩ জন নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা (ERO) এবং ৭৬৭ জন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (DEO)। এই অ্যাপটি ভোটার হেল্পলাইন, cVIGIL, সুবিধা ২.০, ESMS, সক্ষম এবং KYC-এর মতো জনপ্রিয় অ্যাপগুলির সুবিধাগুলিকে একীভূত করবে, যেগুলির মোট ডাউনলোড সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৫.৫ কোটি ছাড়িয়েছে।
গত মার্চ মাসে দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সকল রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের বৈঠকে এই অ্যাপের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, একটি ‘সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম’-এর মতো মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা হবে, যা ভোটার ও রাজনৈতিক দলগুলির জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সকল সুবিধা প্রদান করবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের আবেদন জমা দিতে পারবেন, রাজনৈতিক দলগুলি অভিযোগ বা প্রয়োজনীয় শুনানির আবেদন করতে পারবেন এবং নির্বাচনী বিধি ও প্রক্রিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে।
‘ECINET’-এ থাকবে একটি নান্দনিক ব্যবহারকারী ইন্টারফেস (UI) এবং সরলীকৃত ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা (UX), যা একাধিক অ্যাপ ডাউনলোড ও বিভিন্ন লগইন মনে রাখার ঝামেলা কমাবে। তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে শুধুমাত্র অনুমোদিত নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরাই এই অ্যাপে তথ্য প্রবেশ করাতে পারবেন। কোনও বিরোধের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে জমা দেওয়া তথ্যই প্রাধান্য পাবে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে ৩৬ জন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, ৭৬৭ জন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং ৪,১২৩ জন নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তার সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শের পর। এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনের ৯,০০০ পৃষ্ঠার নির্বাচনী কাঠামো, নির্দেশাবলী ও হ্যান্ডবুক সমন্বিত ৭৬টি প্রকাশনা পর্যালোচনা করে এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। ‘ECINET’ জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫০, ১৯৫১, নির্বাচনী বিধি নিবন্ধন ১৯৬০, নির্বাচনী বিধি আচরণ ১৯৬১ এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশাবলীর সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।
নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “ECINET ভোটার ও নির্বাচনী ব্যবস্থার সকল অংশীদারদের জন্য একটি যুগান্তকারী প্ল্যাটফর্ম হবে। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও ব্যবহারকারী-বান্ধব করবে।”
বর্তমানে ‘ECINET’ অ্যাপটি উন্নয়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং কঠোর পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শীঘ্রই এটি সাধারণের জন্য উপলব্ধ হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। এই অ্যাপটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল রূপান্তরের একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র-ছাত্রী ও যুব সদস্যদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র…
BAMGLAR JAGRAN DOT COM Metro Railway enhances Services on Blue Line and Green Line to…
বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝামাঝি রেল লেভেল ক্রসিংয়ে শুক্রবার…
বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা আধ্যাত্মিক আবহ, ভক্তিময় পরিবেশ এবং হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে…
BANGLAR JAGRAN DOT COM Eastern Coalfields Limited (ECL), a subsidiary of Coal India Limited, has…
বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা দীর্ঘদিনের অভিযোগ ও সমস্যার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কুলটির নিয়ামতপুরের ডেডি…