বাংলার জাগরণ ডট কম সংবাদদাতা

আসানসোল পুরনিগমের রাজনীতিতে ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে পরিস্থিতি। বিরোধী দলনেত্রী চৈতালি তেওয়ারির সক্রিয়তা বাড়ার পর থেকেই পুরনিগমের অন্দরমহলে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে একের পর এক ঘটনায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।
সম্প্রতি ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তরুণ চক্রবর্তীর গ্রেফতারি পুরনিগমের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সামনে এল আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সঞ্জয় নোনিয়া তাঁর কাউন্সিলর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলে পুরনিগম সুত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর এই পদত্যাগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানান জল্পনা-কল্পনা।
সূত্রের খবর, পুরনিগমের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন স্তরে বাড়তে থাকা চাপের কারণেই একাধিক জনপ্রতিনিধি নিজেদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, আগামী দিনে আরও কয়েকজন তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করতে পারেন। যদি তা হয়, তাহলে আসানসোল পুরনিগমে ক্ষমতার সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের দাবি, জন

নিগম রাজনীতিতে ‘উইকেট পতন’ শুরু? তৃণমূল কাউন্সিলরের ইস্তফায় জোর জল্পনা আসানসোলে

স্বার্থের বিভিন্ন ইস্যুতে ক্রমাগত চাপ বৃদ্ধি এবং পুরনিগমের কাজকর্ম নিয়ে বাড়তি জবাবদিহিতার কারণে শাসকদলের একাংশ অস্বস্তিতে পড়েছেন। যদিও এই সমস্ত জল্পনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি পদত্যাগের এই ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে আসানসোল পুরনিগমের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এখন রাজনৈতিক মহলের নজর একটাই প্রশ্নে— পুরনিগমে পরবর্তী ‘উইকেট’ কার?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *